১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ - ২০:৩০
পাকিস্তানি সন্ত্রাসীদের হাতে ন্যাটো’র অস্ত্র

অশান্ত করাচি শহরে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়ে বিপুলপরিমাণে অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে।

পুলিশের ভাষ্যানুযায়ী, লিয়ারি অঞ্চল থেকে উদ্ধারকৃত অস্ত্র ন্যাটো বাহিনী’র। কিন্তু কিভাবে ন্যাটোর অত্যাধুনিক এ সব অস্ত্র করাচির সন্ত্রাসীদের হাতে পৌঁছেছে এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সেনাবাহিনী’র বিশেষ ফোর্সের মুখপাত্র সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন : লিয়ারি অঞ্চলের সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে যে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১৫টি গ্রেনেড, ৫টি রকেট, বিপুল পরিমাণে তাজা গুলি এবং গেরিলা হামলায় ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হাল্কা অস্ত্র।

এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, সন্ত্রাসীরা লিয়ারি অঞ্চলে ৫০টি সন্ত্রাসী অভিযানের সাথে জড়িত। অপর কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে যে, করাচি’র সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো পাকিস্তান তালেবানের সাথে সম্পৃক্ত।

এদিকে কোন কোন বিশেষজ্ঞ মনে করেন, করাচি শহর পাকিস্তানের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায় এ শহরকে অনিরাপদ ও অস্থিতিশীল করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে যুক্তরাষ্ট্র বহুবছর ধরে করাচিকে দুবাইয়ের ন্যায় একটি ওপেন বন্দরে রূপান্তরিত করার চেষ্টায় ছিল। এমনকি হোয়াইট হাউসের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্টে’র ন্যায় কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও এ বিষয়টি বহুবার উত্থাপিত হয়েছে।

অতিতে বহুবার পাকিস্তান থেকে ন্যাটোর অস্ত্র ও সরঞ্জামবাহী ট্রাক নিখোঁজ হওয়ার কথা শোনা গেছে। কিন্তু তদন্তে এর নেপথ্যে মূল বিষয়টি কখনই প্রকাশিত হয়নি। বিশ্লেষদের কেউ কেউ মনে করেন, খোদ আমেরিকাই ন্যাটোর অস্ত্র চুরি করে এ সকল সন্ত্রাসী গ্রুপের হাতে তুলে দিয়েছে। যাতে এর মাধ্যমে পাকিস্তানে নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকে।

উল্লেখ, বালুচ ও পাখতুনসহ ভারত থেকে আগত অনেক সম্প্রদায়ের লোক এ শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস করার কারণে শহরটিতে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা আবনার রিপোর্ট : করাচি’র লিয়ারি টাউন অঞ্চলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী’র স্পশাল ফোর্সের যৌথ অভিযানে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের ৫ নেতাকে গ্রেফতার এবং বিপুল পরিমাণে অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে।